মঙ্গলবার, ১ এপ্রিল, ২০১৪

লাগবে না আর বৈদ্যুতিক তার

ধরুন ঘরের মাঝখানে কোনোরকম তারের সংযোগ ছাড়াই জ্বলছে একটি বৈদ্যুতিক বাতি। মনে হতে পারে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির বিষয়! আসলে তা নয়। ওয়াই-ফাইয়ের মতো তারবিহীন এক বিদ্যুত্ স্থানান্তরের প্রযুক্তিতে এই বাতিটি জ্বলছে। বৈদ্যুতিক তারের কোনোরকম ব্যবহার ছাড়াই এক স্থান থেকে অন্যস্থানে বিদ্যুত্ প্রবাহের পদ্ধতি উন্নয়নে কাজ করছে মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান ওয়াইট্রিসিটি। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান প্রযুক্তি কর্মকর্তা কেটি হল সম্প্রতি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে হালের ওয়াই-ফাই প্রযুক্তির মতোই ঘর-বাড়িতে তারবিহীন প্রযুক্তির বিদ্যুত্ ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হবে। এ ছাড়াও এই প্রযুক্তি নতুন ও উদ্ভাবনী চিকিত্সা যন্ত্রপাতি তৈরিতেও কাজে লাগানো সম্ভব। বার্তা সংস্থা সিএনএন সম্প্রতি ওয়াইট্রিসিটি নিয়ে এক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। কেটি হল জানিয়েছেন, ওয়াইট্রিসিটি মূলত ওয়্যারলেস ‘রেজোনেন্স’ বা তারবিহীন অনুনাদ প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করছে। এই প্রযুক্তিতে বাতাসে বিদ্যুত্ ছড়িয়ে দেওয়ার পরিবর্তে বিশেষ চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। কেটি হল জানিয়েছেন, ওয়াইট্রিসিটি মূলত একটি ‘সোর্স রেজোনেটর’ বা বৈদ্যুতিক কয়েল তৈরি করে। এর সঙ্গে পাওয়ার যুক্ত করলে তা চৌম্বক ক্ষেত্র তৈরি করে। এর কাছাকাছি যদি আরেকটি কয়েল আনা যায় তখন এটি থেকে বৈদ্যুতিক চার্জ উত্পন্ন হয়। কেটি হল দাবি করেন, তারবিহীন বিদ্যুত্ স্থানান্তরের এই পদ্ধতিটি নিরাপদ। ওয়াই-ফাই রাউটার যেভাবে কাজ করে এ পদ্ধতিটিও সেই একইরকম। কেটি হল আশা করছেন, ভবিষ্যতে তারবিহীন বিদ্যুত্ স্থানান্তর তারবিহীন ইন্টারনেট ব্যবহারের মতোই সহজ হবে। সব কিছু যদি ওয়াইট্রিসিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটে, তবে মোবাইল ফোন পকেটে রেখেই তা চার্জ দেওয়া সম্ভব হবে, ল্যাপটপের জন্য আলাদা চার্জার লাগবে না, টেলিভিশনে কোনো তার যুক্ত করতে হবে না।
তথ্যসূত্রঃ প্রথম আলো


বুধবার, ২২ মে, ২০১৩

পরিধানযোগ্য কম্পিউটার ‘গুগল গ্লাস’

২০১১ সালের এপ্রিলে বিস্ময়কর একটি চশমার ধারণা দিয়ে বিশ্বে হৈচৈ ফেলে দিয়েছিল গুগল৷ এখন পর্যন্ত ‘গুগল গ্লাস’ নামে পরিচিত এই বস্তুটি আসলে মোবাইল কম্পিউটার আর চশমার মিলিত এক রূপ৷এই চশমাটি দিয়ে ছবি তোলা, ইন্টারনেট ব্যবহার, ভিডিও রেকর্ড করা, এসএমএস পাঠানো, এমন সব কাজ করা যায়৷ অর্থাৎ হালের স্মার্টফোন দিয়ে যা করা সম্ভব তা-ই করা যায় চোখে পরা এই চশমাটি দিয়ে৷গুগলের এই চশমাটি এখন ব্যবহার করছেন নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি, যার মধ্যে রয়েছেন সফটওয়্যার ডেভেলপার, প্রোগ্রামার ইত্যাদি৷ তাদের দেয়া বিভিন্ন পরামর্শের ভিত্তিতে তৈরি হবে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য চশমা৷ নির্বাচিত এই ব্যক্তিরা দেড় হাজার ডলার দিয়ে চশমাটি কিনেছেন৷গুগলের নির্বাহী চেয়ারম্যান এরিক স্মিডট বলেছেন, ‘কিছুদিন' এর মধ্যেই চশমাটি বাজারে আসতে পারে৷ আর দামটা স্মার্টফোনের চেয়ে বেশিই হবে বলে আগেই জানিয়েছিল গুগল৷গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে গুগলের একটি সম্মেলনে এই বিস্ময় চশমা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে৷ প্রোগ্রামারদের এই সম্মেলনে অনেকেই চশমা পরে উপস্থিত হয়েছিলেন৷ সেখানেই ফেসবুক আর টুইটার গুগল গ্লাসের জন্য তৈরি অ্যাপ এর উদ্বোধনী ঘোষণা দেয়৷ এর ফলে ব্যবহারকারীরা চশমা দিয়ে ছবি তুলে সঙ্গে সঙ্গে সেটা ফেসুবকে দিয়ে দিতে পারবেন৷ তেমনি সেটা পোস্ট করা যাবে টুইটারেও৷
কিছু বিষয়ে আপত্তি
গুগল গ্লাস এখনো সাধারণের কাছে না এলেও আইন প্রণেতা থেকে শুরু করে অনেকেই এর কিছু বিষয় নিয়ে আপত্তি তুলেছেন৷ যেমন ভিডিও রেকর্ডিং সুবিধা থাকার কারণে যত্রতত্র এর ব্যবহার ঠিক হবে কিনা, সেটা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে৷ যেমন গুগলের সম্মেলনেই অনেককে এই চশমা পরে টয়লেটে যেতে দেখা গেছে৷ যদিও তারা বলছেন ভুল করেই তারা ভিডিও ক্ষমতা সম্পন্ন এই চশমা পরে টয়লেটে চলে গিয়েছিলেন, তবুও সেটা ঠিক হয়নি বলেই মনে করছেন অনেকে৷এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অনেক ক্যাসিনো ও বার এ গুগল গ্লাস নিয়ে ঢোকাটা নিষিদ্ধ করা হয়েছে৷
গুগলের বক্তব্য
গুগল কর্তৃপক্ষের দাবি, যেহেতু কম্পিউটারের ক্ষমতাসম্পন্ন চশমার ব্যবহার এখনো নতুন পর্যায়ে রয়েছে তাই টুকটাক ভুল হতে পারে৷ যেমনটা হয়েছিল মোবাইল ফোন আসার সময়৷ কিন্তু যখন মোবাইলের ব্যবহার বেড়ে গেল তখন ব্যবহারকারীরা নিজে থেকেই কিছু নিয়ম মেনে চলা শুরু করে৷ যেমন বাসে থাকার সময় মোবাইলে জোরে কথা না বলা, বৈঠকে থাকার সময় রিংটোন বন্ধ করে রাখা ইত্যাদি৷ গুগল গ্লাসের ব্যবহারও যখন বাড়বে তখনো মানুষ নিজের মতো করে নিয়ম বানিয়ে নেবে বলেই মনে করছে গুগল কর্তৃপক্ষ৷

সোমবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১২

কাল থেকে ঢাকায় বিসিএসের আইসিটি মেলা

বিসিএসের মেলা নিয়ে সংবাদ সম্মেলন
কাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল জীবনধারাভিত্তিক তথ্য ও যোগাযোগ-প্রযুক্তির (আইসিটি) পণ্য ও সেবা প্রদর্শনের মেলা ‘বিসিএস আইসিটি ওয়ার্ল্ড ২০১২’। পাঁচ দিনের এ প্রদর্শনী চলবে ২৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ‘দিনবদলের দীক্ষা, প্রযুক্তি আর শিক্ষা’ স্লোগানে পঞ্চমবারের মতো এই মেলার আয়োজন করছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)।

রবিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১২

অদৃশ্য ছাতা!

সম্প্রতি সিঙ্গাপুরের নকশাবিদ জে সুং পার্ক ইয়ু জুং উন এক অভিনব নকশার ছাতা তৈরি করেছেন। নতুন নকশার এ ছাতায় গম্বুজের মতো পানি-রোধী কোনো ঢাকনা নেই। এক খবরে প্রযুক্তি বিশ্লেষক ওয়েবসাইট ম্যাশেবল জানিয়েছে, এ ছাতার উপরিভাগে দৃশ্যমান কিছুই নেই। অদৃশ্য এ ছাতার কেবল হাতলটিই রয়েছে। দুই নকশাবিদ তাঁদের উদ্ভাবিত এ ছাতাটির নাম দিয়েছেন ‘এয়ার আমব্রেলা’।

বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১২

কলমের সঙ্গে মেমোরি কার্ড!

‘স্কাই স্মার্টপেন’ নামে ক্ষুদ্র কম্পিউটারযুক্ত বিশেষ এক ধরনের কলম তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান লাইভস্ক্রাইব। এ কলমের সঙ্গে যুক্ত মেমোরি কার্ডে প্রয়োজনীয় নোট সংরক্ষণ করে রাখা সম্ভব। এক প্রতিবেদনে নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, স্কাই স্মার্টপেনের ভেতরে যে ক্ষুদ্র কম্পিউটার যুক্ত রয়েছে তা মাইক্রোডট নামে বিশেষ ধরনের কাগজে লেখার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে মেমোরি কার্ডে তথ্য সংরক্ষণ করে।

নতুন রূপে ফিরছে ‘ক্যাসেট টেপ’

টেপ রেকর্ডারের সঙ্গে ব্যবহূত ক্যাসেট টেপের কথা মনে আছে নিশ্চয়? গবেষকেরা জানিয়েছেন, তথ্য সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় আধার হিসেবে আবারও সেই ক্যাসেট টেপের কাছেই ফিরতে হতে পারে। সম্প্রতি ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস বা আইবিএমের গবেষকেরা ক্ষুদ্রাকার একটি ক্যাসেট টেপে ৩৫ টেরাবাইট পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন, যা ক্যাসেট টেপকে পুনর্জন্ম দিতে পারে।

বৃহস্পতিবার, ১ নভেম্বর, ২০১২

ঢাবিতে 'মাইক্রোসফট অ্যাপ-এ-থন' প্রতিযোগিতা



৩ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি কেন্দ্রে (আইআইটি) আয়োজন করা হয়েছে অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রতিযোগিতা 'মাইক্রোসফট অ্যাপ-এ-থন'। এতে মাইক্রোসফটের নতুন অপারেটিং সিস্টেম 'উইন্ডোজ এইট' এবং উইন্ডোজ ফোনের জন্য অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে হবে প্রতিযোগীদের। এদিন মোট ৮০টি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা। এর মধ্যে উইন্ডোজ এইট এবং উইন্ডোজ ফোনের জন্য চারটি করে মোট আটটি অ্যাপ্লিকেশনকে বিজয়ী করা হবে।